মুন্তাখাব হাদিস – একরামে মুসলিমঃ (মুসলমানের মর্যাদা) হাদিস- ৭-৯

হাদিস-৭ (মুসলমানের মর্যাদা)

হযরত আ’ব্দুল্লহ ইবনে আ’মর রদিয়াল্লহু আ’নহুমা (عبْد الله بنْ عمْرو رضى الله عنْهما) বর্ণনা করেন যে, রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, কিয়ামাতের দিন আমার উম্মতের কিছু লোক এমন অবস্থায় আসিবে যে তাহাদের নূর সূর্যের আলোর ন্যায় হইবে।

আমরা আরজ করিলাম, হে আল্লহর রসূল! ঐ সমস্ত লোক কাহার হইবে? এরশাদ করিলেন দরিদ্র মুহাজির হইবে, যাহাদিগকে মুশকিল কাজে আগে রাখিয়া তাহাদের মাধ্যমে আত্ম্ররক্ষার ব্যবস্থা করা হইত। তাহাদের কাহারও মৃত্যু এমতাবস্থায় হইত যে, তাহার আশা তাহার অন্তরেই থাকিয়া যাইত। তাহাদিগকে জমিনের বিভিন্ন জায়গা হইতে আনিয়া একত্রিত করা হইবে। (মুসনাদে আহমাদ)

মুন্তাখাব হাদিস (জানুয়ারী ২০০২) পৃষ্ঠা ৫১৬

হাদিস-৮ (মুসলমানের মর্যাদা)

হযরত আবু সাঈ’দ রদিয়াল্লহু আ’নহু (أبى سعيْدٍ رضى الله عنْه) হইতে বর্ণিত আছে যে, আমি রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম কে এরশাদ করিতে শুনিয়াছি, হে আল্লহ! আমাকে মিসকীন-(স্বভাব) বানাইয়া জীবিত রাখুন, মিসকীন অবস্থায় দুনিয়া হইতে উঠান এবং মিসকীনদের দলভূক্ত করিয়া আমার হাশর করুন। (হাকেম)

মুন্তাখাব হাদিস (দারুল কিতাব, জানুয়ারী ২০০২) পৃষ্ঠা ৫১৬

হাদিস-৯ (মুসলমানের মর্যাদা)

হযরত সাঈ’দ ইবনে আবু সাঈ’দ রহমাতুল্লহ আ’লাইহি বলেন, হযরত আবু সাঈ’দ খুদরী রদিয়াল্লহু আ’নহু (أبى سعيْدٍ الْخدْرىّ رضى الله عنْه) রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লামের খেদমতে নিজের (অভাব ও) প্রয়োজনের কথা প্রকাশ করিলেন।

রসুলুল্লহ সল্লাল্লহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করিলেন হে আবু সাঈদ! সবর কর। কেননা আমাকে যে, মুহাব্বাত করে তাহার দিকে দরিদ্রতা এইরূপ দ্রুতগতিতে আসে যেইরূপ উঁচু মাঠ ও উঁচু পাহাড় হইতে ঢলের পানি নীচের দিকে দ্রুতগতিতে আসে। (মুসনাদে আহমাদ)

মুন্তাখাব হাদিস (দারুল কিতাব, জানুয়ারী ২০০২) পৃষ্ঠা ৫১৭